টিউমার কী? (Definition)
শরীরের কোনো অংশে কোষের অস্বাভাবিক বৃদ্ধি থেকে যে গুটলি বা ফোলা তৈরি হয় তাকে টিউমার বলা হয়। এটি Benign (ক্ষতিকর নয়) বা Malignant (ক্যান্সার)—দুইভাবেই হতে পারে।
কেন টিউমার হয়? (Cause)
হোমিওপ্যাথিক দৃষ্টিতে টিউমারের মূল কারণগুলোর একটি হলো Sycosis—
এটি এমন এক মায়াসম্যাটিক অবস্থা, যেখানে শরীরের ভিতরে অনিয়ন্ত্রিত, অতিরিক্ত বৃদ্ধি (hyperplasia) ঘটে। ফলে শরীরে বিভিন্ন ধরনের টিউমার, সিস্ট, পলিপ, গ্ল্যান্ডুলার এনলার্জমেন্ট ইত্যাদি দেখা দেয়।
আরও একটি বড় কারণ হলো Disease Suppression (রোগ দমন)
– চুলকানি, স্কিন ডিজিজ, স্রাব, হাঁপানি, পাইলস বা অন্য কোনো রোগ বাহিরে প্রকাশ পাওয়ার সময় সেটিকে স্টেরয়েড বা ভুল চিকিৎসায় দমন করলে
– শরীর জটিল রোগের দিকে অগ্রসর হয়, যার মধ্যে অন্যতম হলো টিউমার তৈরি হওয়া।
টিউমারের লক্ষণ (Symptoms)
- নির্দিষ্ট স্থানে গুটলি/ফোলা
- ওই স্থানে চাপ দিলে ব্যথা বা অসুবিধা
- ধীরে ধীরে আকার বৃদ্ধি
- দুর্বলতা, রক্তস্বল্পতা
- শরীরের যে অংশে টিউমার হয় তার ওপর নির্ভর করে বিশেষ উপসর্গ
ডায়াগনোসিস (Diagnosis)
টিউমার নিশ্চিত করতে প্রয়োজন—
- Ultrasound
- CT Scan / MRI
- FNAC / Biopsy (যদি প্রয়োজন হয়)
- Blood tests
সঠিক ডায়াগনোসিস চিকিৎসার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।
হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা – সার্জারি ছাড়াই (Without Surgery)
হোমিওপ্যাথি টিউমারের ক্ষেত্রে—
- মূল মায়াসম Sycosis ঠিক করে
- রোগের দমন জনিত সমস্যাগুলো বের করে দেয়
- অভ্যন্তরীণ ভারসাম্য ফিরিয়ে আনে
- ধীরে ধীরে টিউমারকে ছোট করে দেয়
- অনেক ক্ষেত্রে সার্জারি প্রয়োজন না-ই হতে পারে
হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসার সুবিধা
✔ কোনো সাইড ইফেক্ট নেই
✔ সার্জারির ভয় বা ঝুঁকি নেই
✔ রোগের মূল কারণ নিয়ন্ত্রণ
✔ রোগ পুনরায় হওয়ার সম্ভাবনা কমে
চিকিৎসা অবশ্যই দক্ষ ও অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের পরামর্শে নিতে হবে।
আমাদের পরামর্শ (Important Advice)
টিউমার কখনও অবহেলা করবেন না।
ইন্টারনেট, ইউটিউব অথবা ওভার-দ্য-কাউন্টার ওষুধে চিকিৎসা করা খুবই বিপজ্জনক।
👉 টিউমার হলে সরাসরি হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারের কাছে যান।
👉 নিজে নিজে কোনো ওষুধ খাবেন না।
ফ্রি কাউন্সেলিং চলছে
আমাদের চেম্বারে টিউমার, সিস্ট, ফাইব্রয়েড, গ্ল্যান্ড এনলার্জমেন্টসহ সর্বপ্রকার বৃদ্ধিজনিত রোগে ফ্রি কাউন্সেলিং দেওয়া হয়।
