Elementor #7568

Father of Homoeopathy

Dr.Samuel Hahnemann (1755-1843)

স্বাস্থ্যের ধারনা

চিকিৎসা বিজ্ঞানের আলেচ্য বিষয় হল- জীবদেহ কে নিরোগ কল্পে ঔষধ প্রয়োগ করা- যা তারঁ সুস্থতা আনায়ন করে।

আসুন স্বাস্থ্য কি জেনে নেই—স্বাস্থ্য শব্দটি পুরাতন ইংরেজি ঐধবষঃয-ঐবধষঃয যার অর্থ-ডযড়ষব -সম্পূর্ন।
সুতরাং স্বাস্থ্য বলতে বুঝায় -অসুস্থ্যতা,আঘাত হতে মুক্ত ; শরীর ও মনের স্বচ্ছতা , শারীরিক ও মানসিকভাবে জোরালো অবস্থা যা শারীরিক,মানসিক ও আবেগজনিত আবার পরিবেশজনিত ও ঔষধজনিত বিষ এবং ব্যকটেরিয়া, ভাইরাস ও ফান্গাস হতে মুক্ত হয়ে শরীরে ভারসাম্যপূর্ন অবস্থার বিরাজ করা।এই অবস্থাই হল স্বাস্থ্য।
এক কথায়- শারীরিক,মানসিক ও পরিবেশীক বিভিন্ন প্রতিকূলতা হতে মুক্ত হয়ে ( রোগ প্রতিরোধ) ভারসাম্য অবস্থা বিরাজ করার নাম স্বাস্থ্য।
আমাদের শরীর কেন অসূস্থ্য হয়?
আমাদের শরীরের প্রধান রোগ উৎপাদক হলঃ-
১.চাপ-শারীরিক,মানসিক ও আবেগজনিত
২.বিষ -পরিবেশ ও ঔষধজনিত
৩.সংক্রমন-ব্যকটেরিয়া, ভাইরাস ও ফান্গাস এ সকল পারিপার্শিক অবস্থার প্রতিকূলতা যখন কাটিয়ে উঠতে না পারে তখন আমাদের শরীর অসূস্থ্য হয় এবং নির্দশন স্বরুপ কিছু লক্ষণ প্রকাশ করে। যেগুলো কে আমরা বিভিন্ন রোগ নাম দিয়ে থাকি।
যেমন শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি -জ¦র, সাইনাসের প্রদাহ-সাইনুসাইটিস , বিলুরোবিন বেড়ে গেলে-জন্ডিস এরুপ।

তাহলে রোগ কি?

আমাদের শরীরের প্রধান রোগ উৎপাদক হল-
১.চাপ-শারীরিক,মানসিক ও আবেগজনিত
২.বিষ -পরিবেশ ও ঔষধজনিত
৩.সংক্রমন-ব্যকটেরিয়া, ভাইরাস ও ফান্গাস ইত্যাদি যখন আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা(ওসসঁহব ঝুংঃবস/ঠরঃধষ চৎরহপরঢ়ষব) কে পরাস্ত করে এবং শরীরের পূর্ন সুরক্ষা দিতে ব্যর্থ হয় তখন শরীরে কিছু লক্ষণ প্রকাশ করে তার(ওসসঁহব ঝুংঃবস/ঠরঃধষ চৎরহপরঢ়ষব) অপরগতার কথা প্রকাশ করে ( যে সে পূর্ণ সুরক্ষা দিতে পারছেনা , তার সাহায্য প্রয়োজন) এবং শরীরের স্বাভাবিক অবস্থার বিশৃংখলা দেখা দেয়। এ অবস্থাই হল রুগ্ন অবস্থা।

এবার ইমিউনিটি (ওসসঁহহরঃু) কি?


ওসসঁহহরঃু শব্দটি ল্যাটিন ওসসঁহরং থেকে এসেছে যার অর্থ- ঋৎবব বা মুক্ত অর্থাৎ চাপ, বিষ ও সংক্রামন থেকে স্বয়ংক্রিয় সুরক্ষা ব্যবস্থার নামই ইমিউনিটি (ওসসঁহহরঃু)
সহজ কথায়- প্রাণির শরীরের যে স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থার মাধ্যমে আভ্যন্তরিন ও বাহ্যিক প্রতিকূলতা ছাড়িয়ে শরীর ও মনের ভারসাম্য রক্ষা করে তাকে ইমিউনিটি (ওসসঁহহরঃু) বলে।
অন্যকথায়- আমরা মূলত রোগ-জীবাণুর সমুদ্রে বসবাস করি ।এদের সাথে লড়াই করে টিকে থাকতে হয় । আর টিকে থাকার জন্য আমাদের শরীরের যে ব্যবস্থা সুরক্ষা প্রধান করে তাই ইমিউনিটি (ওসসঁহহরঃু) ।

কিভাবে ইমিউনিটি (ওসসঁহহরঃু) কাজ করে?

 

আমাদের শরীরের ইমিউনিটি অনেকগুলো প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা আছে তার মধ্যে অন্যতম লিউকোসাইট বা শে^ত রক্ত কণিকা । শে^ত রক্ত কণিকা সবসময় প্রহরীর কাজ করে ও আক্রমণকারী রোগ জীবাণুদের খোঁজ করে অন্য প্রতিরোধ ব্যবস্থাগুলো কে সংবাদ প্রদান করে এবং আক্রমণকারীদের নিঃচিহ্ণ করতে অংশগ্রহন করে।
যে সকল জায়গায় শে^ত রক্ত কণিকা জমা থাকে সেগুলোকে লিমফয়েড অরগানস(ষুসঢ়যড়রফ ড়ৎমধহং.) বলে।সেগুলো হল- থাইমাস


থাইমাস( ঞযুসঁং)—একটি গ্লান্ড যা থেকে থাইমোসিন (ঃযুসড়ংরহ) হরমোন নিঃসরন করে । থাইমোসিন টি-সেল এর পরিপক্কতার জন্য উদ্দীপনা সৃষ্টি করে।


প্লীহা(ঝঢ়ষববহ) —এর অবস্থান উপর পেটের বামদিকে । রক্ত পরিশোধনের কাজে নিয়োজিত।


অস্থি মজ্জা(ইড়হব সধৎৎড়)ি — হাড়েড় মধ্যে এক প্রকার প্রয়োজনীয় উপাদান যা লোহিত রক্ত কনিকা উৎপাদন করে। লোহিত রক্ত কনিকা টিস্যুতে অক্্িরজেন পরিবহন করে।


লিম্ফ নুড (খুসঢ়য হড়ফবং) —সীম বীজ আকৃতির দেখতে যা একে অপরের সাথে সংযুক্ত থাকে এবং শরীরের রোগ প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে।

আসুন লিউকোসাইটে এর বিভাজন সম্বন্ধে জানাবো..
লিউকোসাইট প্রধানত ২ প্রকার । তা হল-

১. ফ্যাগোসাইট(চযধমড়পুঃবং)

২. লিম্ফোসাইট(খুসঢ়যড়পুঃবং)
১.ফ্যাগোসাইট(চযধমড়পুঃবং)ঃ এ পদ্ধতিতে রোগ-জীবাণুকে চারদিক দিয়ে ঘিরে ফেলে সুষে নেয় , ভেঙ্গে ফেলে এবং খেয়ে ফেলে। এগুলো বিভিন্ন ধরনের-
ক্স নিউট্রফিল (ঘবঁঃৎড়ঢ়যরষং) — এগুলো ব্যকটেরিয়াকে আক্রমন করে।
ক্স মনোসাাটি (গড়হড়পুঃবং) — এর বিস্তৃতি অনেক । বিশেষত মৃত কোষ, কর্কট কোষ ও দেহের বাহিরের যে কোন উপাদান কে সরিয়ে ফেলে।


ক্স ম্যক্রোফেজ (গধপৎড়ঢ়যধমবং) — ম্যক্রোফেজ রোগজীবানুর খোজে পাহাড়া দিয়ে থাকে এবং ভেঙ্গে যাওয় কিংবা মৃত কোষ ধংশ করে


ক্স মাস্ট সেল(গধংঃ পবষষং) — মাস্ট সেলের উল্লেখযোগ্য কাজ হল আঘাতকে আরোগ্য করে এবং প্যাথজেনের বিরুদ্ধে কাজ করে।

২.লিম্ফোসাইট(খুসঢ়যড়পুঃবং): লিম্ফোসাইট পুরোনো রোগ-জীবাণুকে মনে রাখে এবং আবার নতুন করে আক্রমন করতে এলে ধংশ করে। লিম্ফোসাইট সাধারনত ২ অঙ্গে জীবনকাল শুরু করে একটি হল অস্থিমজ্জা(ইড়হব গধৎৎড়)ি তে লিম্ফোসাইটটি বি-সেল(ই-খুসঢ়যড়পুঃবং ) এ উন্নিত হয় অন্যটি হল থাইমাস গ্লান্ড যেখানে লিম্ফোসাইট টি-সেল(ঞ-খুসঢ়যড়পুঃবং) এ উন্নিত হয়। এদের কাজ নিম্মরুপ-


 বি-সেল(ই-খুসঢ়যড়পুঃবং)ঃ এন্টিবডি তৈরী করে ও টি সেল কে সতর্ক করে।

প্রত্যেকটি বি-সেল(ই-খুসঢ়যড়পুঃবং) একটি নির্দিষ্ট অ্যান্টিবডি তৈরি করে। উদাহরণস্বরূপ, কেউ নিউমোনিয়া সৃষ্টিকারী ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে অ্যান্টিবডি তৈরি করতে পারে, আবার কেউ টাইফয়েড এভাবে– । অ্যান্টিবডিগুলি ইমিউনোগ্লোবিউলিন নামক রাসায়নিকের একটি বৃহত পরিবারের অংশ, যা প্রতিরোধের প্রতিক্রিয়াতে অনেক ভূমিকা পালন করে। সেগুলো হল–


ক্স ওসসঁহড়মষড়নঁষরহ এ (ওমএ) — জীবাণুকে চিহ্নিত করে যাতে অন্য কোষগুলি চিনতে পারে এবং আক্রমন করতে পারে।
ক্স ওমগ — ব্যকটেরিয়াকে হত্যা করতে প্রসিদ্ধ
ক্স ওমঅ –এরা অশ্রু ও লালাতে থেকে জীবাণু প্রবেশপথ সুরক্ষারসাথে বন্ধ করে।
ক্স ওমঊ — পরাজীবীর বিরুদ্ধে শরীরকে সুরক্ষা দেয় এবং অ্যলার্জিও জন্য এই ইমিউনোগ্লোবিউলিন কে দায়ী করা হয়।
ক্স ওমউ — বি-লিম্ফোসাইট এর সহযোগী হিসেবে থাকে এবং রোগ প্রতিরোধে সাড়া তৈরিতে ভূমিকা রাখে।
এন্টিবডি জীবাণু হত্যা করে না ।এরা শুধু চিহ্নিত করে রাখে এবং বার্তা ধারণ কওে যাতে অন্য কোষ হত্যায় অংশ নিতে পারে।
*টি-সেল(ঞ-খুসঢ়যড়পুঃবং)ঃ এন্টিবডি তৈরী করে এবং ফরেনবডি- বিশেষ করে ভাইরাস-ব্যকটেরিয়া রিমুভ করে।

টি-সেল(ঞ-খুসঢ়যড়পুঃবং) দুই প্রকার । ১. হেলপার টি-সেল বা টিএইচ-সেল ২. কিলার টি সেল।
ঐবষঢ়বৎ ঞ পবষষং (ঞয পবষষং) —রোগ প্রতিরোধে ( রসসঁহব ৎবংঢ়ড়হংব)সাড়া প্রদান , অন্য কোষের সাথে যোগাযোগ করে এবং বি-সেল কে এন্টিবডি তৈরীতে উদ্দীপনা প্রদান করে।
করষষবৎ ঞ পবষষং (পুঃড়ঃড়ীরপ ঞ ষুসঢ়যড়পুঃবং) — এরা বিশেষত ভাইরাস ধংশে ভূমিকা রাখে । ভাইরাসের সাথে যুদ্ধ করে এবং ভাইরাসের একটি ছোট অংশ আক্রমনের জন্য বেছে নেয় এবং ক্রমন্বয়ে ভাইরাস কে হত্যা করে।
ইমিউনিটি তিন প্রকারের ১. ইনেট(ওহহধঃব) ২.এডাপটিভ(অফধঢ়ঃরাব ) ৩. প্যাসিভ(চধংংরাব)
১. ইনেট(ওহহধঃব): জম্মগত রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা যা আমরা প্রকৃতিগতভাবে পেয়ে থাকি।
২. এডাপটিভ(অফধঢ়ঃরাব ): আমরা কোন রোগে আক্রান্ত হলে বা ভেকসিন(মৃদুমাত্রার রোগ) প্রয়োগ করা হলে তাদের প্রতিরোধ কল্পে আমাদের শরীর এন্টিবডি লাইব্রেরি গড়ে তোলে এবং পরবর্তীতে আক্রান্ত হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রতিরোধ শুরু করে। এটাকে রসসঁহড়ষড়মরপধষ সবসড়ৎু ও বলা হয়।
৩. প্যাসিভ(চধংংরাব)ঃ এ ইমিউনিটি স্থায়ী নয় বা কারও কাছ থেকে পাওয়া । যেমন ঃ শিশু জম্মেও পূর্বে তার মায়ের প্লাসেন্টায় সুরক্ষা, দুগ্ধপানকালে সুরক্ষা।
ইমিউনিটি জনিত রোগ
ওসসঁহড়ফবভরপরবহপরবং:

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা একটি জটিল প্রক্রিয়া কোন কারণে যদি ইহার কোন অংশ কাজ না করে তবে ওসসঁহড়ফবভরপরবহপরবং এ জটিলতা দেখা দেয়।
যেমনঃ মেদপ্রবনতা, অপুষ্টি ও এইডস।
অঁঃড়রসসঁহরঃু
এ অবস্থায় রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা ভুলক্রমে স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী কোষগুলোকে ধংশ করে অথবা যথাযথ সাড়া প্রদানে ব্যর্থ হয়।
যেমনঃ টাইপ-১ ডায়াবেটিস, রিউমেটিক,আর্থারাইটিস (বাত)

Categories:

New Patient Registration

নতুন রোগিরা নিচের লিংক ক্লিক করে Registration  করতে পারবেন। 

Registration  করতে ০১৭৭৫ ১২ ১১ ১২( পার্সোনাল ) বিকাশে ৩০০ ফি পরিশোধ করে  এখানে ক্লিক করুন  এবং Remerks অপশনে আপনার বিকাশ নাম্বারটি লিখুন  অথবা  transaction ID লিখুন । SMS/MAIL/CALL করে আপনাকে Appointment জানিয়ে দেয়া হবে। 

কিভাবে Registration  করতে হয় জানতে এখানে  ক্লিক করুন

আমাদের সিস্টেমে Login করুন
Our Fan Page
Our Youtube Channel